az-logo2
মুহাম্মদ আবদুল জব্বার

মুহাম্মদ আবদুল জব্বার
মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল জব্বার নারায়ণগঞ্জের গণমানুষের নেতা। তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সুলেখক, সমাজসেবক ও যুব সংগঠক। ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি থাকাকালীন সময় থেকে এবং পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি নানাভাবে আওয়ামী সরকারের নিপীড়ন ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। এতো এসব বাধা সত্ত্বেও তিনি নারায়ণগঞ্জের মানুষের তারুণ্যদীপ্ত, দৃঢ় ও সাহসী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। এ অঞ্চলের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হিসেবেও তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দারিদ্র্য বিমোচন, জ্বলাবদ্ধতা নিরসন, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন, দুর্নীতি প্রতিরোধ, শিক্ষা বিস্তার, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো বিষয়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন । সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ী।

নারায়ণগঞ্জ–৪ সংসদীয় আসনের ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মনে করেন যে, মাওলানা আবদুল জব্বার জনগনের সেবা করার সুযোগ পেলে তিনি এ অঞ্চলের মানুষের দুর্দশা লাঘব ও সার্বিক উন্নয়নে প্রত্যাশিত অবদান রাখতে সক্ষম হবেন, ইনশাআল্লাহ।

কিশোর গ্যাংমুক্ত কাশিপুর গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে কোনো অপরাধকে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া যাবে না: আবদুল জব্বার

প্রশাসনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়া গেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ ফোর্স গঠন করে ২০২৪ সালের মতো আন্দোলনে নামতে হবে। তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

যারা গালি দিচ্ছে এবং অশ্লীল কথা ছড়াচ্ছে তাদের পরিচয় কি?

কখনো কোন শিক্ষিত মানুষকেও দেখা যায় প্রতিপক্ষকে অন্যায়ভাবে দোষারোপ করছেন এবং বিভিন্ন মন্দ উপাধী বা গালি ব্যবহার করে তাকে হেয় করার চেষ্টা করছেন যা খুবই দুঃখজনক। এক্ষেত্রে অবশ্যই তার এধরনের আচরণ আমরা বর্জন করব। তিনি শিক্ষিত বা ভদ্র হিসেবে পরিচিত বলেই তার অভদ্র আচরণকে আমরা অনুসরণ করব না।